সাপ্লাই চেইন ও রফতানি নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগে কোম্পানিগুলো এখন চরম সতর্কতায় সময় পার করছে। খবর কোরিয়া হ্যারাল্ড।
কোরিয়া ফার্মাসিউটিক্যালস অ্যান্ড বায়ো-ফার্মা ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (কেপিবিএমএ) সতর্ক করে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যদি শেষ পর্যন্ত ফ্লাইট হ্রাস, রুটের পরিবর্তন কিংবা আকাশপথ বন্ধের দিকে মোড় নেয়, তবে পণ্য সরবরাহ সূচি মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে।
ব্যবসায়ী সংগঠনটি আরো জানিয়েছে, বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সময়মতো পেমেন্ট বা অর্থ পরিশোধে বিলম্ব হতে পারে, যা কোম্পানিগুলোর বড় ধরনের ব্যবসায়িক ঝুঁকি তৈরি করবে।
ফার্মাসিউটিক্যালস স্ট্র্যাটেজি ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট জং ইউন-তায়েকের মতে, বায়ো-ফার্মাসিউটিক্যালস বা জৈবপ্রযুক্তির ওষুধ উৎপাদনে অপরিহার্য ডিসপোজেবল কালচার ব্যাগ, ফিল্টার ও বিভিন্ন কাঁচামাল অত্যন্ত সংবেদনশীল।
তিনি বলেন, ‘এসব পণ্য পরিবহনে উচ্চমাত্রার সতর্কতা প্রয়োজন এবং এগুলো মূলত আকাশপথেই আনা-নেয়া করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথগুলো বন্ধ হয়ে গেলে বিমান ভাড়া কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে এবং পণ্য সরবরাহে বড় ধরনের বিলম্ব হতে পারে। ফলে ওষুধ উৎপাদন খরচ নাটকীয়ভাবে বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।’
দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্য ও ওষুধ নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশটির ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঁচামালের স্বনির্ভরতার হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ। অর্থাৎ, প্রয়োজনীয় কাঁচামালের বিশাল একটি অংশের জন্য দেশটিকে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়।